৪ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে প্রথম ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডকে পাঁচ উইকেটে হারিয়েছে ভারত। ডিএলএস পদ্ধতিতে ৩২ ওভারে ভারতের সংশোধিত লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৪৩ রান। ২২.৪ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে দলটি, হাতে ছিল ৫৬ বল। ম্যাচসেরা হন আনশুল কম্বোজ।
১৮৫ রানে অলআউট নিউজিল্যান্ড, শেষ জুটিতে ৩৯
টস ভারতের পক্ষে যায়, তারা আগে বোলিং নেয়। নিউজিল্যান্ড ৪০.২ ওভারে ১৮৫ রানে অলআউট হয়, প্রথম সাত ব্যাটারের কেউ ৩৮ পার করতে পারেননি। টিম সাইফার্ট ৪৩ বলে ৩৮ রান করেন। গ্লেন ফিলিপস ৫১ বলে ৩০ এবং ড্যারিল মিচেল ৪১ বলে ২৮ রান যোগ করেন। অর্শদীপ সিং ১০ ওভারে ৭০ রান দিয়ে চার উইকেট নেন। গুরনুর ব্রারের তিন উইকেটের দাম ৯.২ ওভারে ৪৪ রান, আর আনশুল কম্বোজ দুই মেডেনসহ ১০ ওভারে ২২ রানে নেন দুই উইকেট। অক্ষর প্যাটেল পাঁচ ওভারে দেন মাত্র ১২ রান, আকিব নবি ছয় ওভারে ৩৩ রান দিয়ে উইকেট পাননি। ১৪৬ রানে নবম উইকেট পড়ার পর ব্লেয়ার টিকনার ২৩ বলে চারটি ছক্কায় ৩৪ রান করেন এবং জ্যাকব ডাফির (অপরাজিত ১৫) সঙ্গে শেষ উইকেটে যোগ করেন ৩৯।
গিল ও কোহলিতে ভর করে চেজ
রোহিত শর্মা ছয় বল খেলে রান না করেই ফেরেন, ভারতের স্কোর তখন ১ রানে ১ উইকেট। এরপর শুভমান গিল ও বিরাট কোহলি দ্বিতীয় উইকেটে ১১৩ রান যোগ করেন। গিল ৫৬ বলে ৩৭ করেন। কোহলির ৭৪ রান আসে ৫১ বলে, ১৩টি চার ও একটি ছক্কায়, অর্থাৎ ৭৪ রানের ৫৮ এসেছে বাউন্ডারি থেকে। শ্রেয়াস আইয়ার ১৩ বলে করেন ১৫। ভারত ১১৪ রানে ২ উইকেট থেকে ১৩৬ রানে ৫ উইকেটে নেমে গেলেও কেএল রাহুল (অপরাজিত ৩) ও নমন ধীর (অপরাজিত ৫) কাজ শেষ করেন। জ্যাকব ডাফি ৭ ওভারে ৪৯ রানে নেন ৩ উইকেট, কাইল জেমিসন ও নাথান স্মিথ একটি করে উইকেট পান, যথাক্রমে ৩৪ ও ২১ রান দিয়ে, স্মিথ বল করেন ৪.৪ ওভার।
পরের দুই ম্যাচ
সিরিজে ভারত এগিয়ে ১-০ ব্যবধানে। দ্বিতীয় ওয়ানডে শনিবার ৭ নভেম্বর ওয়েলিংটনের হ্যানরি স্টেডিয়ামে, শুরু ০২:০০ জিএমটিতে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা)। তৃতীয়টি ১০ নভেম্বর হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে। নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার, ভারতের শুভমান গিল।
ইংরেজিতে পড়ুন: India Beat New Zealand by Five Wickets in the First ODI at Auckland
